My Blog

Welcome to My blog

অন্ধকারের উপস্থাপনা

কেউ বিমুখ হয়, লুকোতে চায়, আর দেখাতে চায় না কিছুই, আবার কেউ স্বআড়ম্বরে তুলে ধরে, কোনো ঘটনাই যেন থামিয়ে রাখতে পারে না,কোনোভাবেই, চোখের জল মুছে ফেলার তাড়ায়, কর্তব্যের মাঝে নিজের ভুলে থাকা বেশ প্রাধান্য পায়, আদৌ কি ভোলা সম্ভব? ক্ষনিকের হাসিতে আদৌ কি হালকা হওয়া সম্ভব? মাঝে মধ্যে বেশ ভাবায়

ভাগাড়ে জ্যান্ততা

দিনের শেষে সবাই ঠিক, এটাই যেন বারবার মনে হয়, কেউ সম্পূর্ণ ভুল ভেবে কাজ করে যায়, এটা মেনে নিতে বেশ অস্বস্তির সৃষ্টি হয়, এখানে সবাই ঠিক মেনে, ঠিক কর্ম সম্পাদনের ভিড়ে দেখা হয়, মাঝে সবকিছুই সামাজিক তকমা, মূল্যায়ন, সময়ের সাথে খালি, প্রেক্ষাপট আর দিক পাল্টায়।

সমীকরণ: সব কিছুই স্বাপেক্ষিক

স্থায়িত্ব হাতে নেই, নেই ভবিষ্যৎ হাতে, এগোতে হবে মার খেয়ে বা স্বেচ্ছায়, সবই যেন সৃষ্টিকর্তার হাতে, মাঝে আমরা ইচ্ছেদের রাখি, তাদের সাথে তাল মিলিয়ে দুঃখ, কষ্ট, আনন্দদের রাখি, স্বাপেক্ষিকতা স্বাদ নির্ধারণ করে, কারো কাছে বেশ কঠিন আবার কারো কাছে খুব সহজের পরিভাষা তৈরী করে।

বিশ্বাস আর অসীমতা: প্রেক্ষপটে জীবনদর্শন

কঠিন বস্তুকে বার বার ভাঙলে, একসময়ে তা গুঁড়োতে পরিণত হয়, একটা সময়ে ভঙ্গুর দের আর ভাঙার মতো কিছুই থাকে অবশিষ্ট থাকে না, অবশিষ্ট থাকে শুধু অভিজ্ঞতা আর ভয়, ভয় আবার ভেঙে না যাওয়ার, ভয় যে অভিজ্ঞতাদের জন্ম জীবন দিয়েছে, ওদের ফিরে আসার, ভয় আবার সেই সমস্ত কিছুর সাথে লড়াই করার

দুই শূন্য দুই পাঁচ (2025: Embracing Change)

দুই শূন্য দুই পাঁচ, যেমন ইচ্ছে তেমন বাঁচ, ক্রোধ, লোভ, হিংসে, চঞ্চলতা মানব চরিত্রের অলংকার, ওরা হীরের চেয়ে কাঁচের মর্যাদা পেলে হয়ে যায় প্রতিকার

সুখী গৃহকোণ আর সমাজ ?

আধুনিকতার নামে স্বীকৃতি, লিখিত অলিখিত ভাবে কত কিছুই না পেয়ে যাচ্ছে, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের ভালোই, তার জানান সমাজ বার বার দিচ্ছে, মানুষ অনেক বছর ধরে পরিশ্রম করে যোগ্যতা অর্জন করে, পরিশ্রম করে, করে রোজগার, সঞ্চিত অর্থগুলো শুধু অর্থ নয়, প্রত্যেকের জীবনের অনেকগুলো বছরের আত্মত্যাগের খতিয়ান

আজকাল চারপাশ

আমরা বা আমাদের থেকে আমি বেশ বড়ো, এই দাবি পরিলক্ষিত, সম্পর্কে ঘুন ধরে আর ভোগ করে চারপাশ, সম্পর্কের নামে সমাজে আজকাল ছড়াচ্ছে নতুন এক সন্ত্রাস

চড়াই উতরাই আর অভিসন্ধি

কেউ পিছিয়ে নেই, নাই কেউ এগিয়ে, প্রত্যেকে চলছে তাদের নিজেদের গতিতে, মাঝে ইচ্ছেগুলোকে রোজগার করে নিতে হয়, এটুকুই খেলার নিয়ম, এই পৃথিবীতে সক্ষমতা, অক্ষমতা বিচার্য্য, কিন্তু সে বিচার করবে কে? এই পৃথিবীতে তারাও স্বীকৃত আজ, যারা শুধুই ব্যর্থ হয়ে চেষ্টা করে গেছিলো যে

কারণ – এক অজুহাত

সন্দীগ্ধদের পাওয়া যায় না, তখন তারা সুস্থ, অন্যায় করার সময়ে ওরা বেকার, নেশাগ্রস্ত, শিল্পায়ণহীন, হয়ে পড়ে অসুস্থ, প্রমান ও প্রমাণিত করার মাধ্যম যেন বর্তমানের অবলুপ্তির বীজ বপন করছে, অধঃপতিত সবচেয়ে উঁচু স্থান, খুব নাম আর খুব সম্মান, বাকিরা থিতিয়ে পড়ছে

গুণ/ Quality

চাওয়া পাওয়ার খেলায় আমরা কেউই কিছু হারাতে চাই না , কিন্তু না হারিয়ে কোনো কিছুই যেন ঠিক করে পাওয়া যায় না , মেনে নিতে অসুবিধে হয় , কারণ কখনো সময় বা কখনো নিজেরাই খরচ হয়ে যাচ্ছি , মূল্যবোধের ভিত্তিতে ভালো থাকার রোজ নিত্য নতুন মানে খুঁজে চলেছি

উদাসীনে নয় উদাসীন

ন্যূনতম ইচ্ছে ছিল,সহজ সরল মন ছিল,খুবই সীমিত চাওয়া পাওয়া ছিল,খুব সহজেই পেরিয়ে যাওয়ার আশা ছিল, আহামরি কিছুই ভাবিনি, তবু কিছু ভেবেছিলাম,অবাস্তবিক কিছুই নয় বলেই কল্পনায় কিছু এঁকেছিলাম,বাস্তবে ঠিক মিলে যাবে এরকমই কিছু অঙ্ক করেছিলাম,একটু আধটু এদিক ওদিক হবে, প্রস্তুতি টুকুও রেখেছিলাম, সময়ের সাথে বাস্তবায়ন ঘটলো, অঙ্ক গুলো মিলতে শুরু হলো,ভাবলাম যা ভেবেছি, তার সাথে মিল…

অন্ধকারের তকমাকরণ

আলোর মাঝে অন্ধকারের অস্পষ্টটা তৈরী আর অন্ধকারের মাঝে আলোর, নামগুলো শুধু উজ্জ্বল আর ছায়াগুলো অন্ধকারে দাঁড়িয়ে ভালো, সবকিছুর তকমাকরণের প্রচেষ্টা দেখা করায় একসময়ে যারা গেছিলো হারিয়ে, নাম পায়নি, তকমা পায়নি, স্বীকৃতি পায়নি তবু তারা না গিয়ে কোথাও যেন ছিল লুকিয়ে,

জানা নেই

সম্পূর্ণতার মাঝে একরাশ দুঃখ কেন জানা নেই, সব থেকে বেশি ঝগড়া, মতভেদ, অশান্তি উৎসবের মাঝেই কেন, জানা নেই, সবাই আনন্দ করতে গিয়ে আন্তরিক দিক থেকে অবসাদগ্রস্ত কেন, জানা নেই, আলোর মাঝে, অন্ধকারগুলো এতো উজ্জ্বল, তাও দেখতে পাচ্ছি না কেন, জানা নেই……

বাস্তবিক কৃত্রিমতা

শুন্যস্থান ভরাট থাকুক , কেউ বুঝতে না পারলেই হলো , কেউ আদৌ বুঝতে পারছে কিনা, সেটা আর কই কেউ বলে গেলো , সবাই প্রশংসা করে , আর গুটিপোকা গুটি মেরামত করে চলে , শুঁয়োপোকার গুটির সাথে কি ওই কৃত্রিমের তুলনা চলে ?

স্বাবলম্বিতার এক দিক

সম্মান রোজগার করতে হয়, কেউ তো দিয়ে দেয় না, সময় পাল্টাচ্ছে, সমস্তকিছুর তর্জমা পাল্টাচ্ছে আসে পাশের আমার আপনার সমাজটা, আর্থিক স্বাবলম্বিতা কে আজ অনেক বড়ো করে দেখার আর দেখানোর কারণটা খুব সহজ, ওটা এনে দেয় একটা অদৃশ্য নিরাপত্তা, নিজের প্রয়োজনীয়তা মেটানোর ক্ষমতা সকল মানুষেরই রয়েছে, ওটা কৃত্তিত্ব নয়, আবার নয় কোনো মানুষের দুর্বলতা……

সংগতি

শরীরের মৃত্যু ছাড়াও আরো অনেক মৃত্যু হয়, ভাবলেই যেন জীবন আরেকটা মাত্রা খুঁজে পায়। 

বয়স, একটা উপলব্ধি

বিভিন্ন বয়সে নানান উপলব্ধি মনে ঘর করে , ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া কেন্দ্রিক একটা অজানা ভয় গ্রাস করে , বাকিরা ভুল নয় কিন্তু নিজে ঠিক এটার জন্য যুক্তি জোগাড় করা চলে , এই খেলাতে মানুষ হারায়, নতুন মানুষ জোটে কিন্তু প্রবৃত্তি মিটে যায় না, শূন্যস্থান সময়ের সাথে অনেক কিছুই উপলব্ধিতে নিয়ে আসে, কিছু না চাওয়া মুহূর্তের সাথে…

উদাস পাখি

সমস্ত লড়াইতেই শেষ লড়াইটা ব্যক্তিত্তের, পারি না আর হয় না তেই অর্ধেক সমাধান আটকে অস্তিত্বে, কি হবে ভাঙলে, কি হবে গড়লে, চিন্তায় যদি আসে, উদাহরণযোগ্য পরিবর্তন সম্ভব, মুক্তি আর আনন্দের সাথে দেখা হবে প্রতি ক্ষনে।

কাল চৈত্রী

ভবিষৎ প্রজন্মের কথা ভেবে, ওরে কে আছিস, দরজা সামলা, পরিবেশ নিজের চরিত্র পাল্টাচ্ছে। 

দোটানায়

অনুশীলনের হাত ধরে সমাধানবিন্দুতে পৌঁছতে পারবে সবাই, ঠিক, যাত্রাপথ টুকু নিয়ে, দুশ্চিন্তা শুচিন্তা, সময়ের সাথে পাল্টে যাবে ঠিক। 

A few tips to students

Learning in your early stage of life will make you capable to lead a prosperous and most importantly a happy sound life. you will also learn from your experiences as well but being a wise person in your sixties never improves your quality of life rather it may lead to regret and frustration. Identify your…

প্রিয়

লাইনের মাঝে লোকানোদের আবিষ্কার করো বেশি না ভেবে অভিমানী, শব্দের মাঝে থাকা শব্দগুলোর মানে বোঝো, যাতে সুনিশ্চিত হয় নিরাপত্তাহীনতার অনুপস্থিতি।

শৈলী

উপেক্ষাতে উপেক্ষিত সবার শেষে কথা বলে, কিছুজন সেই কথাতে, বেশ গর্ব অনুভব করে, সমাজের সমবেদনা, গর্ব আরো বাড়িয়ে তোলে, উপেক্ষিত এভাবেই চিরকাল উপেক্ষিত হতে থাকে

উত্তর দিতে হবে

উত্তর দিতে হবে, জাহির করতে হবে নিজেকে, নইলে ব্যক্তিত্বহীনতার পাশাপাশি না জানি আরো কত কি তকমার ভারই না বহন করতে হবে|

প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্য

আত্মঅভিমান সারাটা বছর, প্রয়োজনে শুধু ক্ষনিকের বিসর্জন, ক্ষমতা ও মুদ্রা সকলের প্রিয়, দুইয়ের মাঝেই হোক প্রগতি আর বিবর্তন।

খেলা হবে

সবাই সন্তুষ্ট, সবাই আশাবাদী, নিজেদের চিন্তাধারায় কিছু নিবেশ না করেই নাকি হবে প্রগতি

পরিবর্তন

পরিবর্তন তখনি যখন সমস্ত যদি, উপলব্ধির সাথে নদীর জলে ভেঁসে যেত।

উপাদান

স্মৃতি ও কল্পনা জীবনের দুই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা মানুষকে প্রাণিজগতের শিরোপা বানিয়েছে পরিচালনার ঘাটতিতে মানুষকে আবেগী ভারসাম্যহীনতার মুখে দাঁড় করিয়েছে, অনুকরণ নয় উপলব্ধি ও কৃতকর্মের কাছে মান্যতা সবাই পেয়েছে।

যদি এমন হতো

ভয়ের দ্বারা ভীত ও সন্ত্রস্ত হলেই সেই ভীতি সমাজে প্রভাব বিস্তার করে।

সামাজিক সাধারণ

আজকের সমাজের বন্য সমাজে রূপান্তরণ , সবার মাঝে ধর্ষণ ও মানহানির ঘটনা খুবই ছোট্ট আর সাধারণ ?

বিকল্প

মানসিক স্থিতির গুরুত্ব আজও সমাজে আসে না, আত্ম্যহত্যার হারের দিকে গুরুত্ব কি কারো পড়ে না?

ই এম আই

ক্ষেত্র নির্বিশেষে আজ সবই দামি, হারিয়েছে প্রাণের মূল্যতা।

পার্শ্ব পথ

একান্তে প্রশ্নরা এলে, ধৈর্য্য ক্লান্তি নিয়ে মলাটকে সঙ্গে করে দেয়, বিকল্পিত বা কখনো পার্শ্বপথে হাঁটা।

বিদ্বেষ

নিঃশাস নিচ্ছে ব্রিটিশ নীতি, দাঙ্গা ও বিদ্বেষের নামে আজ।

সমালোচনা

আলোচনা, সমালোচনা, মন্তব্য ও অন্যকে ছোট করার ধারণার পার্থক্য, রচনা করতে পারে নতুন এক সমাজ, যা হবে প্রতিবাদী, সৃজনশীল ও ছোটদের নাগরিক গড়ে তোলার মধ্য।

বিভ্রান্তি

উদাসীনতা তোমার অভ্যেস, কাজ করাতে ক্লান্তি, ক্লান্তি কাজ করলে আসে, বাকি সবই বিভ্রান্তি।

অস্তিত্ব

ব্যক্তিত্বের মর্যাদার প্রেক্ষাপট যদি না থাকে তৈরী, বাস্তব পৃথিবীতে হারিয়ে যায় সেই সমস্ত যোদ্ধা, দার্শনিক ও মনীষী।

কদর

কদর মাপার দৃষ্টি, খুব অল্প কোনেই যে ঠাঁই পেয়েছে।

বিশৃঙ্খলা

ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলার পথে দোষারোপ করার অভ্যেসের হাত ধরে আসে বিশৃঙ্খলা।

মহামারী

দুশ্চিন্তাময় মহামারীতে আক্রান্ত আমার শহর,খবরের কাগজ আর স্বাস্থবিভাগ কেড়েছে সবার নজর,অক্লান্ত পরিশ্রম সত্ত্বেও পরিকাঠামো নজর এড়িয়েছে,দিন গুনছে আম জনতা, এই বুঝি চিকিৎসার নতুন ওষুধ বাজারে এসেছে, বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন মানুষ  চারপাশে, নানান ভয়ে ভীত,পিপিই কীটের ভেতরের মানুষগুলো আজ বেশ সন্ত্রস্ত,জীবন বাঁচানোর মাঝে ব্যর্থতা ও নিজের পরিবারের চিন্তা,কিছু জন আবার এই পরিস্থিতিতে মুনাফা কামানোর করছে…

অর্থ

একটা অর্থ পাল্টাতে পারে অন্য অর্থের দৃষ্টিকোণ।

লড়াই

কর্মপ্রধান দেশে, কর্মকে গুরুত্ব দিয়েছো কতখানি?

একটি আবেগ দেশ

জাতির জন্য দেশ নয়, সরকার নয়, দেশের জন্য জাতি ও সরকার, ভুলতে বসেছে দেশের ধারণা মনুষ্য নামক প্রজাতি যা মনে রাখা দরকার।

Happy Mother’s Day

বিশ্বাসের নেই কোন দিবসের প্রয়োজন, স্নেহের পবিত্রতার দরকার নেই কোন আয়োজন, সারা বিশ্বে পবিত্রতার সর্বোচ্চ সিংহাসন, মায়ের মাতৃত্বকে জানাই প্রনাম, ভালোবাসা আর অভিনন্দন।

আজকের সংসার

আজকের সংসারের একটি অপ্রকাশিত রুপ, যা আবেগে ছিল, কিছু ব্যাক্তিগত কথোপকথনে ছিল কিন্তু নিয়েছে নানান পরিবারে নানা রকম সমাধানের রুপ।

স্বাধীন ও পরাধীন

সেই সমস্ত বিবাহ আজ উদাহরণযোগ্য,  যেখানে প্রচেষ্টাগুলো প্রতিষ্ঠা ও সফলতার তকমা পায়, প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কি তাহলে একটি মাধ্যম সম্পর্ক, এছাড়া সম্ভব নয়, অনেকেই দৃষ্টান্ত দিয়ে বলবেন হয়তো, একা প্রতিষ্ঠিত অনেকেই কারো সাহায্য নিয়ে নয়, তাহলে পাশে থেকে সফলতা অর্জন এত নজরকাড়া কেন, কেন তা স্বাভাবিক নয়? পাশে থাকা থেকেই মাপা হচ্ছে সতীত্ব, চরিত্র আর আচরণ,…

ভয়

আত্মহত্যার দ্বারা সমাজ উদ্বুদ্ধকরণ বন্ধ হোক।

Something went wrong. Please refresh the page and/or try again.


Follow My Blog

Get new content delivered directly to your inbox.