অন্ধকারের উপস্থাপনা

কেউ বিমুখ হয়, লুকোতে চায়, আর দেখাতে চায় না কিছুই,
আবার কেউ স্বআড়ম্বরে তুলে ধরে, কোনো ঘটনাই যেন থামিয়ে রাখতে পারে না,কোনোভাবেই,
চোখের জল মুছে ফেলার তাড়ায়, কর্তব্যের মাঝে নিজের ভুলে থাকা বেশ প্রাধান্য পায়,
আদৌ কি ভোলা সম্ভব? ক্ষনিকের হাসিতে আদৌ কি হালকা হওয়া সম্ভব? মাঝে মধ্যে বেশ ভাবায়,

গ্রহণযোগ্যতা অনেক দূরের অধ্যায়, তার আগে ভারী ছাপ আর সময় এসে দাঁড়ায়,
কথা বলে ওরা রোজ, শূণ্যতায় ভাবায়, তবু জনজোয়ারে মন যেতে চায়,
ছোটবেলার মতো ভুলিয়ে রাখা চরিত্ররা ভিড় করে, অন্য অন্য বিষয়ে কথা বলে ওরা,
যে বিষয়ে বলতে ইচ্ছে করে, তা জাহির করতে ভীষণ ভয় লাগে, আর নানান ভাবে বারণ করে তারা,

নরম মাটিতে বাস্তবের ভারী গাড়ি কিভাবে চালাতে দি?
কটাক্ষ, হাসাহাসি, উপেক্ষা আর গুরুত্বহীনতার মাঝে কিভাবে তাদের ছেড়ে দি?
অনুভূতিহীনতার ধাক্কা সামলানো কি খুব গুরুত্বপূর্ণ, খুব একটা জরুরি?
জরুরি নয় বলেই নিস্তব্দতাকে স্বাভাবিকে মুড়ে দি,

সবাই সবার মতো করে স্বাভাবিকের মাঝে নিজেকে উপস্থাপন করে,
বেছে নেয় পছন্দমত মাধ্যম, ভিড়, পছন্দমত তকমাকরণ করে,
যা যাদের কাজ তা তারা করে যাবে, অজান্তে কি করে চলেছে তার তোয়াক্কা না করে নিজেদের প্রবৃত্তিদের বাস্তবায়ন ঘটাবে,
এই অজানায় অনেকে আঘাত পাবে, অনেকে শিখবে, অবাক হবে, অনেকে সময় দেবে,

সবার মাঝে আসতে আসতে, ঘায়ের দাগগুলো থেকে যাবে, ঘা ভরাট হবে, ওই যে সময় থেমে থাকবে না,
দেখা যাবে ওদের, কিন্তু অনুভূতি হয়তো কোনোদিনই পাওয়া যাবে না,
শুনবে হয়তো অনেকে কিন্তু সেই কানদুটো হয়তো আর পাওয়া যাবে না,
উপস্থিতি থাকা স্বত্বেও আর জাহির করার ইচ্ছেটুকু থাকবে না,

অনুভূতিহীনতা স্বাভাবিকের নাম নিয়ে ঘাড়ে ওঠার কত চেষ্টাই না করে যাবে,
ধীরে ধীরে এই স্বাভাবিক নিজের স্বাভাবিকত্ত হারাবে,কারণ, ওরা ক্লান্ত হবে, ছেড়ে একদিন তোমায় ঠিক দেবে,
নতুন স্বাভাবিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, সংজ্ঞা দেবে নতুন করে, আবার হবে তকমাকরণ,
চারপাশ যেন তরুলতা, এক থেকে আরেকে নিবেশিত অবলম্বন।

Leave a Reply