তাহলে কি দুর্বলরাই চায় খালি একসাথে থাকতে ,
মন খারাপের সময়ে একপাশে হাটতে ,
ঐ যে আলফা মেল/ ফিমেল /ট্রান্স দের থেকে দূরে সরে থাকতে ,
ইচ্ছে কি তাদেরই শুধু মানিয়ে নিয়ে বাঁচতে, লম্বা একটা পথ, একসাথে চলতে?
প্রায়োরিটি, শব্দটা কখনো ক্ষনিকের আবার কখনো অনেক্ষনের সমষ্টি হয়ে জীবনে এসে উঁকি দেয় ঠিক ,
উপার্জন আর কাম্য জীবনশৈলীর যাঁতাকলে ওই প্রায়োরিটি গুলো শিফ্ট করতে থাকে ঠিক ,
সময় যেমন থেমে থাকে না তেমনি মানুষগুলো চলতে থাকে , পাল্টাতে থাকে, তাল মিলিয়ে ঠিক ,
তবু সময়ের ফাঁকে , ব্যস্ততার মাঝে, অসুম্পূর্ণতা উঁকি দিয়ে চলে, ভাবিয়ে যায় , কখনো বাম , কখনো ডান দিক ,
মাঝে চলে আসে কত কিছু , বাস্তবের প্রেক্ষাপটে ,
টাকা , মানসিকতা , আনন্দ , অশান্তি আরো কত কিছু অস্তিত্ব জাহির করে ,
দোনামোনায় মন, কখনো স্বীকার করে সংযত রাখে, আবার কখনো অস্বীকার করার ইচ্ছে জাহির করে ,
অস্বীকারের ইচ্ছেই ভাবায় , নইলে হয়তো মেনে নেওয়া আর মানিয়ে নেওয়ার খেলা থাকতো জীবনে অন্য তর্জমায়,
দুর্বল , অসফল , পাওয়ার ইচ্ছে , না পাওয়ার থাপ্পড় মানিয়ে নিতে শেখায় যেটাকে মানুষ এডজাস্টমেন্ট এর আখ্যা দেয় ,
না পাওয়ার অনুভূতি অনুভব করতে পারার সাথে জীবনকে মানিয়ে নেওয়া আর মানসিক ভাবে একটু ভালো থাকার প্রচেষ্টাকে মানুষ ম্যাচুরিটি এর আখ্যা দেয় ,
কিন্তু এতো আখ্যা, এতো শব্দ, ইচ্ছে আর অনুভূতির সাথে কোনোদিন সঠিক ন্যায় কি করে, নাকি সব ভুলে থাকতে শেখায় ?
রসদ বাড়িয়ে লড়াইয়ের ইচ্ছে একটা বয়স অব্দিই থাকে তারপর কোথাও যেন ঠিকই আছে , এই শব্দগুলো খুব ঘন ঘন অস্তিত্বে দেখা যায় ,
চাওয়া পাওয়ার খেলায় আমরা কেউই কিছু হারাতে চাই না ,
কিন্তু না হারিয়ে কোনো কিছুই যেন ঠিক করে পাওয়া যায় না ,
মেনে নিতে অসুবিধে হয় , কারণ কখনো সময় বা কখনো নিজেরাই খরচ হয়ে যাচ্ছি ,
মূল্যবোধের ভিত্তিতে ভালো থাকার রোজ নিত্য নতুন মানে খুঁজে চলেছি ,
সবার শেষে, সব কাজের , সব উদ্দেশ্যের শেষ লাইনটা হয়তো এটাই ছিল ,
চাহিদাগুলো সবসময় জীবনের জন্য জরুরি ছিল ,
জীবনের জন্যদের যখন গুরুত্ব দেওয়া হলো , জীবন যেন কোথায় হারিয়ে যেতে শুরু করলো ,
ভালো থাকার জন্য যত কিছু করা হলো , এখানে তো শুধু থাকাটুকুই কাগজে উঠে রইলো।
