বিশ্বাস আর অসীমতা: প্রেক্ষপটে জীবনদর্শন

কঠিন বস্তুকে বার বার ভাঙলে, একসময়ে তা গুঁড়োতে পরিণত হয়,
একটা সময়ে ভঙ্গুর দের আর ভাঙার মতো কিছুই থাকে অবশিষ্ট থাকে না,
অবশিষ্ট থাকে শুধু অভিজ্ঞতা আর ভয়,
ভয় আবার ভেঙে না যাওয়ার, ভয় যে অভিজ্ঞতাদের জন্ম জীবন দিয়েছে, ওদের ফিরে আসার, ভয় আবার সেই সমস্ত কিছুর সাথে লড়াই করার,
হারাবার কিছু নেই যাদের, তাদেরও ভয় হয়,
কি অদ্ভুত, বিত্তশালীদের রোগগুলো আদৌ তাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ কি না, মাঝে মধ্যে সংশয় হয়,
জীবন তার মতো করে চলে, যেটা শেখাবার সেটা শিখিয়ে যায়,
আমাদের চাওয়া পাওয়া দিয়ে কষ্ট আর আনন্দের ভোগ্যতাটুকু শুধুই বাড়ানো কমানো যায়,
তবু না চাওয়ারা আগন্তুকের মতো হানা দেয়, আগাম বার্তা না দিয়েই হানা দেয়,
প্রস্তুতি নেওয়ার সময়টুকু দেয় না কখনো, আবার কখনো কিছু চরিত্রের সাথে পরিচয় করায়,
না জানা চিত্রনাট্যের শেষ পাতা অব্দি, না পৌঁছনো পর্যন্ত ভালো খারাপের বিচারটা ঠিক হয়ে ওঠে না,
আগামীর কিছু ঘটনা যেমন অতীতের তিক্ততাদের ন্যায্য বলে প্রমান করে,
ঠিক তেমনই, সময়, ব্যক্তির সামর্থ্য তৎক্ষণাৎ তৈরী করে কিছু ঘটনার বাস্তবায়নযোগ্য করে ফেলে,
আশা, আকাঙ্খা, চাওয়া, পাওয়া সবই মন ভুলিয়ে রাখার খেলনার মতো,
আমরা বেশ ব্যস্ত থাকি এদের সঙ্গে, মাঝে গল্প অন্য কেউ তার মতো করে সাজিয়ে রাখছে, ভ্রুনাক্ষরেও টের পেতে দেয় না যে গল্পটি শুধু দেখতেই তাদের মতো রাখা হয়েছে,

এখানে কখনো নিয়তির গন্ধ পাওয়া যাবে কখনো কার্মিক গন্ধ নাকে আসবে,
কখনো জন্মান্তর বাদের অস্তিত্ব স্বীকৃতি পাবে আবার কখনো এখানেই পূর্ন্যচ্ছেদ, বাস্তবতার তকমা পাবে,
নিরাকার দর্শনের বহুরূপী ব্যাখ্যা খুঁজলে চারপাশ আবৃত করে রাখবে,
ভুলে থেকে, ভুলিয়ে রেখে, আপন করবো যাদের ভালো লাগবে,

ভালো লাগাদের ফলাফল জীবন বয়ে নিয়ে আসবে,
নিউটনের তৃতীয় সূত্রের কথা অমনি সবার মনে পড়ে যাবে,
অবুঝ মন কিছু প্রশ্ন করবে আর সীমিত বোধ, সীমিত রসদ থেকে, উত্তর হিসেবে আবার সেই যাকে ভালো লাগবে তাকেই আপন করে এগিয়ে যাবে,
চক্রাকার আবর্তন যেন নিঃস্বাসকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে জীবনযাপন করবে,

মানব সমাজ বিস্বাসের ভিত্তিতে এগিয়ে চলেছে, এর সবচেয়ে বড়ো উদাহরণ পকেটে থাকা কাগজরূপী মুদ্রাগুলি জানান দিয়ে যায়,
কারো কাছে প্রকৃত অর্থ নেই তবু কারো দেওয়া কথাকেই মান্যতা দিয়ে রোজগার করার মাপকাঠি প্রাণবায়ু পায়,
ঘটনাগুলোর সাথে মানসিকতার আর সময়ের সাথে মানসিকতার পরিবর্তনের সম্পর্কে বোধয় একই রক্ত বয়,
অবিশ্বাস সীমিত কর্মসম্পাদনের ক্ষমতার জানান দেয়, বিপরীতে বিশ্বাস অসীমের দরজা খোলার ক্ষমতার…………………………

1 thought on “বিশ্বাস আর অসীমতা: প্রেক্ষপটে জীবনদর্শন”

Leave a Reply