অন্ধকারের উপস্থাপনা

কেউ বিমুখ হয়, লুকোতে চায়, আর দেখাতে চায় না কিছুই, আবার কেউ স্বআড়ম্বরে তুলে ধরে, কোনো ঘটনাই যেন থামিয়ে রাখতে পারে না,কোনোভাবেই, চোখের জল মুছে ফেলার তাড়ায়, কর্তব্যের মাঝে নিজের ভুলে থাকা বেশ প্রাধান্য পায়, আদৌ কি ভোলা সম্ভব? ক্ষনিকের হাসিতে আদৌ কি হালকা হওয়া সম্ভব? মাঝে মধ্যে বেশ ভাবায়

ভাগাড়ে জ্যান্ততা

দিনের শেষে সবাই ঠিক, এটাই যেন বারবার মনে হয়, কেউ সম্পূর্ণ ভুল ভেবে কাজ করে যায়, এটা মেনে নিতে বেশ অস্বস্তির সৃষ্টি হয়, এখানে সবাই ঠিক মেনে, ঠিক কর্ম সম্পাদনের ভিড়ে দেখা হয়, মাঝে সবকিছুই সামাজিক তকমা, মূল্যায়ন, সময়ের সাথে খালি, প্রেক্ষাপট আর দিক পাল্টায়।

সমীকরণ: সব কিছুই স্বাপেক্ষিক

স্থায়িত্ব হাতে নেই, নেই ভবিষ্যৎ হাতে, এগোতে হবে মার খেয়ে বা স্বেচ্ছায়, সবই যেন সৃষ্টিকর্তার হাতে, মাঝে আমরা ইচ্ছেদের রাখি, তাদের সাথে তাল মিলিয়ে দুঃখ, কষ্ট, আনন্দদের রাখি, স্বাপেক্ষিকতা স্বাদ নির্ধারণ করে, কারো কাছে বেশ কঠিন আবার কারো কাছে খুব সহজের পরিভাষা তৈরী করে।

বিশ্বাস আর অসীমতা: প্রেক্ষপটে জীবনদর্শন

কঠিন বস্তুকে বার বার ভাঙলে, একসময়ে তা গুঁড়োতে পরিণত হয়, একটা সময়ে ভঙ্গুর দের আর ভাঙার মতো কিছুই থাকে অবশিষ্ট থাকে না, অবশিষ্ট থাকে শুধু অভিজ্ঞতা আর ভয়, ভয় আবার ভেঙে না যাওয়ার, ভয় যে অভিজ্ঞতাদের জন্ম জীবন দিয়েছে, ওদের ফিরে আসার, ভয় আবার সেই সমস্ত কিছুর সাথে লড়াই করার

সুখী গৃহকোণ আর সমাজ ?

আধুনিকতার নামে স্বীকৃতি, লিখিত অলিখিত ভাবে কত কিছুই না পেয়ে যাচ্ছে, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের ভালোই, তার জানান সমাজ বার বার দিচ্ছে, মানুষ অনেক বছর ধরে পরিশ্রম করে যোগ্যতা অর্জন করে, পরিশ্রম করে, করে রোজগার, সঞ্চিত অর্থগুলো শুধু অর্থ নয়, প্রত্যেকের জীবনের অনেকগুলো বছরের আত্মত্যাগের খতিয়ান

চড়াই উতরাই আর অভিসন্ধি

কেউ পিছিয়ে নেই, নাই কেউ এগিয়ে, প্রত্যেকে চলছে তাদের নিজেদের গতিতে, মাঝে ইচ্ছেগুলোকে রোজগার করে নিতে হয়, এটুকুই খেলার নিয়ম, এই পৃথিবীতে সক্ষমতা, অক্ষমতা বিচার্য্য, কিন্তু সে বিচার করবে কে? এই পৃথিবীতে তারাও স্বীকৃত আজ, যারা শুধুই ব্যর্থ হয়ে চেষ্টা করে গেছিলো যে

গুণ/ Quality

চাওয়া পাওয়ার খেলায় আমরা কেউই কিছু হারাতে চাই না , কিন্তু না হারিয়ে কোনো কিছুই যেন ঠিক করে পাওয়া যায় না , মেনে নিতে অসুবিধে হয় , কারণ কখনো সময় বা কখনো নিজেরাই খরচ হয়ে যাচ্ছি , মূল্যবোধের ভিত্তিতে ভালো থাকার রোজ নিত্য নতুন মানে খুঁজে চলেছি

উদাসীনে নয় উদাসীন

ন্যূনতম ইচ্ছে ছিল,সহজ সরল মন ছিল,খুবই সীমিত চাওয়া পাওয়া ছিল,খুব সহজেই পেরিয়ে যাওয়ার আশা ছিল, আহামরি কিছুই ভাবিনি, তবু কিছু ভেবেছিলাম,অবাস্তবিক কিছুই নয় বলেই কল্পনায় কিছু এঁকেছিলাম,বাস্তবে ঠিক মিলে যাবে এরকমই কিছু অঙ্ক করেছিলাম,একটু আধটু এদিক ওদিক হবে, প্রস্তুতি টুকুও রেখেছিলাম, সময়ের সাথে বাস্তবায়ন ঘটলো, অঙ্ক গুলো মিলতে শুরু হলো,ভাবলাম যা ভেবেছি, তার সাথে মিল… Continue reading উদাসীনে নয় উদাসীন

অন্ধকারের তকমাকরণ

আলোর মাঝে অন্ধকারের অস্পষ্টটা তৈরী আর অন্ধকারের মাঝে আলোর, নামগুলো শুধু উজ্জ্বল আর ছায়াগুলো অন্ধকারে দাঁড়িয়ে ভালো, সবকিছুর তকমাকরণের প্রচেষ্টা দেখা করায় একসময়ে যারা গেছিলো হারিয়ে, নাম পায়নি, তকমা পায়নি, স্বীকৃতি পায়নি তবু তারা না গিয়ে কোথাও যেন ছিল লুকিয়ে,

সামাজিক Time Pass

বলপূর্বক আপোষকে কিছু মানুষ আধুনিকতার নামে চেনে