চাওয়া পাওয়ার দ্বন্দ্ব, আকাঙ্খা, দুঃখ, আনন্দ সমান্তরালে চললো,
হলে ভালো হতো রা কেমন চুপ চাপ নীরবে যেতে থাকলো,
কত কিছু বলার ইচ্ছে গুলো, না বলার তালিকায় নাম লেখাতে যেতে থাকলো,
নীরবে নীরবতার অপেক্ষা যেন সবার উর্দ্ধে স্থান করে নিতে থাকলো,
সচেতনতা যেন চরম শিখরে স্থান পাওয়ার দিকে এগোলো,
নিজেকে বয়স্ক সর্প ভাবা হলো আর পারিপার্শিককে প্রকৃতির হাতে নিশ্চিন্তে ছেড়ে দেওয়া হতে থাকলো,
চূড়ান্ত অবিশ্বাস নিয়ে অক্সিজেন নেওয়া মানুষটাও যেন বিশ্বাসী হয়ে উঠতে থাকলো,
শেষমেষ যেন নিশ্চিন্ত থাকার চাবিকাঠি, বিশ্বাসের হাত ধরেই খুঁজে পাওয়া হয়ে উঠতে থাকলো,
কে বলে ইচ্ছামৃত্যু আজ আর হয় না?
কে বলে, মানুষ সব পারে খালি ছেড়ে যেতে পারে না?
কে বলে, আকাঙ্খা দ্বারা তাড়িত হয়ে অতৃপ্তির সাথে আসে পূর্ণচ্ছেদ?
বোধগম্যতার সাথে, সবাই সর্বকালের সেরা বিচ্ছেদের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকি, মাঝে একটু বিরাম, নেই কোনো ক্ষেদ,
বসুন্ধরা আগেও ছিল পরেও থাকবে, অবিশ্বাস নিজের গোনা নিঃশ্বাসের সংখ্যা কমায় খালি,
বর্ধিত ক্ষেত্রে প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের কথা বারবার কড়া নাড়ে খালি,
পশুরা বাধ্য হলেও মানুষ কতটা স্বাধীন,
নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা বোধগম্য স্থানে এলেই, কর্ম সম্পাদনে ছাপ রাখে, যেন হাঁটা হচ্ছে আর নিচে বালি,
অতৃপ্তি আর তৃপ্তি পুরোটাই নিজস্ব আধখাওয়া আকাঙ্খাদের মতো আত্মপ্রকাশ করে,
নইলে এক মানুষ আরেক মানুষকে বুঝবে, সম্পূর্ণ বোধগম্যতার তালিকায় নাম লেখাবে, এই আকাঙ্খা বাস্তবে কখনো কিভাবে ঘর করে?
তবু মানুষ ভাবে, যেহেতু সে সামাজিক প্রাণী, সমাজের মাঝে বেড়ে ওঠা তার, চোখে দেখেছে এমন ঘটনা কত্ত খানি,
তাই স্বাভাবিকের স্বাভাবিকীকরণ করা হতে থাকে, পারিপার্শিকে যা ঘটে তাদের ন্যূনতমের তালিকায় স্থান দিতে থাকে খালি,
এই স্বাভাবিক শব্দটা কতটা স্বাপেক্ষিক, ওই যাকে ইংরেজিতে বলে রিলেটিভ সেটা পর্যবেক্ষণ, উপলব্ধি ইত্যাদির হাত ধরে সময় বোঝায়, শেখায়,
কিন্তু সময় যে থেমে থাকে না, সমান্তরালে নেওয়া সিদ্ধান্ত ও তার হাত ধরে কর্ম সম্পাদন, চলমান গতিতে বাস্তবে জায়গা করে নেয়,
সেই অনুপাতে কিছু ঠিক আর কিছু ভুলের অনুভূতি বর্তমানে কড়া নাড়তে থাকে,
পাল্টে ফেলার অদম্য ইচ্ছে, কখনো সৃজন আর কখনো ধ্বংসের রূপে বাস্তবে স্থান পেতে থাকে,
থেমে না থাকা জীবনে এরূপ ঘটনা চলতে থাকে শেষ নিঃস্বাস অব্দি,
করণীয়র তালিকা কখনো বৃদ্ধি আবার কখনো হ্রাস পায়, এই আর কি,
চলমান পদ্ধতি ওই যাকে বলে কন্টিনিওয়াস প্রসেস হিসেবে, জীবন নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করতে থাকে,
তার কাছে কারো মাথামোটা ভাব, আবার কারো বুদ্ধিমত্তা শেষ দাঁড়ি অব্দি নিজেকে উপস্থাপন করে চলে,
বোধগম্যতা কর্ম সম্পাদনের অভিষ্ট ওই যাকে বলে ইনটেন্ট বা ইনটেনশন নির্ধারণ করে,
সেটাই যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই বোঝানোর চেষ্টা যেন জীবন, সমান্তরালে করে চলে,
সফলতা বা ব্যর্থতা এখানে বিশেষ প্রাধান্য কোনোদিনই পায় না,
কিভাবে মাপা হবে সফলতা আর ব্যর্থতা, এই বিষয়ে স্বচ্ছতা বা ক্লারিটি নিয়ে আসতেই যেন খুব ছোট্ট মনে হয়, জীবনের পরিসীমা,
দিনের শেষে সবাই ঠিক, এটাই যেন বারবার মনে হয়,
কেউ সম্পূর্ণ ভুল ভেবে কাজ করে যায়, এটা মেনে নিতে বেশ অস্বস্তির সৃষ্টি হয়,
এখানে সবাই ঠিক মেনে, ঠিক কর্ম সম্পাদনের ভিড়ে দেখা হয়,
মাঝে সবকিছুই সামাজিক তকমা, মূল্যায়ন, সময়ের সাথে খালি, প্রেক্ষাপট আর দিক পাল্টায়।
