দৃষ্টি আকর্ষণ : নিজের জগতের সার্বভৌমত্ব

দৃষ্টি আকর্ষণের প্রবণতা বিভিন্ন মাধ্যমে,
ফুটিয়ে তোলা ত্রুটি বিদ্যমান, বেড়ে ওঠার মাধ্যমে,
মধ্যিখানে আমি এসে জেদ নিয়ে হাঁটি,
দীর্ঘদিনের ইতিহাস কেমনে সরিয়ে রাখি,

চারপাশে কি ঘটলো তার তোয়াক্কা করি না,
গুরুত্বপূর্ণ আমি, এর অমান্যতা বুঝি না,
দোষে গুনে মানুষ সবাই, আমারো নাহয় আছে কিছু,
আমি সবার মাঝে ওভাবেই চলি, যেভাবে সবাই নিয়ে চলছে সবকিছু,

অঙ্গুলিনীক্ষেপ করার মতন মানুষের ছড়াছড়ি আমার চারপাশে,
বলার মতো বক্তব্য সব সময় বিদ্যমান, তাই আমার কণ্ঠে,
নিজের জগতে সবাই থাকে আমি থাকলে দোষ কোথায়,
কেউ কারো মনের মতো নয়, আর আমিও আমার মতে মত্ত তাই ,

চাওয়া আর পাওয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে হিমশিম বাস্তবে,
কল্পনা অন্তিম বিন্দুকে অভিষ্ট করে, যেখানে বাস্তব পদ্ধতির কথা বলে,
পাওয়ার ইচ্ছে যা অনেকে পাচ্ছে বা বিশেষ স্থানে ও পরিস্থিতিতে যা নিজের জন্য বরাদ্দ হচ্ছে,
কেন ও কিভাবে ভেবেছি কিন্তু করতে গিয়ে সেইসব, চরিত্র বিরুদ্ধ আর অসাধ্য খালি মনে হচ্ছে,

আমি থাকবো আমার মতো, প্রাপ্য ও প্রাপ্তি হবে অন্যের মতো,
সীমা মানে না কল্পনা যেখানে, বাস্তবে তার অমিল সে মানে না,
ফলাফল প্রকৃতি প্রস্তুত করে চলেছে সমান্তরালে, মেনে নিতে গিয়েই যত আপত্তি সেখানে,
সমীকরণে দূরত্ব, অধ্যায়ের তর্জমার পরিবর্তন, বিনা মূল্যায়নে, শুধু ফলাফলে আপত্তি বর্তমান সারাক্ষন,

সম্পাদনের পদ্ধতি ছাপ রাখে সর্বত্র,
চাওয়া পাওয়া প্রাসঙ্গিক, প্রেক্ষাপট অনুযায়ী তর্জমা পাল্টায় সর্বত্র,
রূপ পাল্টায়, পরিবেশনার ধরণ পাল্টায়, সাথে চাহিদা থাকে নমনীয় অভিযোজনের,
আমি মধ্যিখানে শুধু এটুকুই এসে বলি, খালি পাল্টেই যাবো নিজে, দিন রাত আর সর্বত্র?

মানসিক লড়াই সবচেয়ে বড়ো, সেখানে ওই আমি ছাড়া আর কেউ সাক্ষী থাকে না,
নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও বিস্তার সম্ভব, এই বিচার সর্বত্র স্থান পায় না,
বিশ্বাস কর্মে, দেওয়ার ইচ্ছে, যা পাওয়ার ইচ্ছে হয়ে যায় সর্ব স্তরে,
বিরূপ, জীবনযাত্রার অলংকার যেখানে, সেখানে আমার আমিকে মেরে ফেলতে আপত্তি আবার কিসে ?

চারিত্রিক মৃত্যু খালি কিছু গুণাবলী আর অভ্যেসের পরিবর্তন মাত্র,
যাকে গুরুত্ব না দেওয়া ইচ্ছেকৃত, তাকে অন্য দিক থেকে পর্যবেক্ষণের তর্জমা দেওয়া মাত্র,
বিবর্তনের যাত্রায় সবসময়, ব্যবহার ও অগ্রাধিকার প্রথম সারিতে স্থান পায়,
একটা সত্তার মৃত্যু, জীবনের প্রত্যেক স্তরে অগ্রগতির পথে আরো অনেক সত্তার বীজ বপন করে যায়,

তবু, আমি বুঝবো কিন্তু বুঝবো না, চরিত্র বেজায় জটিল, পাল্টে ফেললে বৈচিত্র কমে যাবে, সেকি আর কম কথা,
ভোগান্তিতে আপত্তি রয়েছে তাতে কি হয়েছে, মন ভরে অভিযোগ করে নেবো সেই সময়, এই হলো গিয়ে সর্বস্তরে শেষ কথা,
এসব উপলব্ধিতে আনতে আনতেই সমান্তরালে দেহত্যাগের সময় নির্ধারণ করবো,
মঞ্চে অভিজ্ঞ অভিনয়ক্ষমতা সম্পন্ন চরিত্ররা সবই বুঝে চলছে, ওরা জানার আর সেই অনুযায়ী একটু নিজেকে পাল্টে নেওয়ার অপেক্ষা করবো,

কেউ যেন সব সময় দেখছে, দেখলেই পাল্টাতে হবে আচরণ আর চরিত্র,
অনু পরমাণুরা পর্যন্ত পাল্টে ফেলছে, মাঝে আমি নিজেকে কেন বাদ রাখবো,
অন্ধ ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ ছাড়া এতো কষ্টের অভিনয়কে কিভাবে স্বীকৃতদের ও গুরুত্বপূর্ণদের তালিকায় রাখবো,
দ্বন্ধে চারপাশে একটু আবর্জনা, ফলস্বরূপ একটু দুর্গন্ধ ভোগ অন্যদের, তাতে আবার আমার কি? নিজে যেমন তার থেকে কেন চারপাশকে বাদ রাখবো।

Leave a Reply